দেশের ৫৬ জেলায় বিএনপির কার্যালয় বন্ধ

লেখক: Amadersomaj
প্রকাশ: ৩ মাস আগে


দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৪টিতে বিএনপির স্থায়ী বা অস্থায়ী কার্যালয় রয়েছে। ছয়টি জেলায় কার্যালয় হিসেবে বিএনপির কোনো নেতার বাসা অথবা অফিসকে ব্যবহার করা হয়। চারটিতে কোনো কার্যালয় নেই।

বিএনপির কার্যালয় ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত নেতাদের স্থাপনায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো কোনোটি বন্ধ এক মাস ধরে। কোনোটি বন্ধ আরও বেশি সময় ধরে। কিছু কার্যালয় সম্প্রতি স্থানীয় পর্যায়ে সংঘর্ষের পর থেকে বন্ধ রয়েছে।

২৮ অক্টোবরের পর থেকে মাগুরা জেলা বিএনপির কার্যালয় বন্ধ। কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, ২৮ তারিখের পর তিন দিন অল্প সময়ের জন্য কার্যালয়ের তালা খোলা হয়েছিল। পুলিশ তাঁদের কার্যালয় খুলতে নিষেধ করেছে। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় কার্যালয় বন্ধ রয়েছে, আপনারা কেন খুলছেন?’

অবশ্য জেলা পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় খোলা বা বন্ধ রাখার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

খুলনা শহরের কে ডি ঘোষ রোডে মহানগর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়। সেটি এক মাস ধরে তালাবদ্ধ। মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শফিকুল আলম  বলেন, ‘মামলা থেকে কেউ বাদ নেই। আমাদের অফিস থানার পাশেই। কার্যালয় থেকে নামলেই গ্রেপ্তার করা হবে।’

নড়াইল জেলা বিএনপির কার্যালয়টি তিন মাস ধরে বন্ধ বলে দাবি করেছেন দলের নেতারা। তাঁরা বলছেন, বিগত পাঁচ বছরে চারবার কার্যালয়টি খোলা হয়েছে। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কার্যালয় খোলা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কার্যালয় খোলা হলে সরকারি দলের লোকজন তালা মেরে দেয়।

২৮ অক্টোবরের পরও ফেনী শহরের ইসলামপুর সড়কে বিএনপির জেলা কার্যালয় খোলা ছিল। বন্ধ হয়ে যায় ১১ নভেম্বর থেকে। কারণ, তখন থেকে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কার্যালয় এলাকায় টহল দিতে থাকে। পুলিশও তৎপরতা বাড়িয়েছে।

নোয়াখালী জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের বাসভবন। শহরের ফকিরপুরের সেই বাসভবনে গিয়ে গতকাল দেখা যায়, দরজায় তালা ঝুলছে।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী আবদুর রহমান বলেন, নেতা-কর্মীরা আত্মগোপনে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অনেকে কারাগারে। তাই কার্যালয় আপাতত বন্ধ।



IT Amadersomaj