জুলহাস আহমেদ, বরগুনা :
শ্বশুর বাড়ী বেড়াতে গিয়ে রাতে ছেলেকে ফোন দিয়ে বাঁচার আকুতি বাবা জাকিরের : ধান ক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার
জুলহাস আহমেদ, বরগুনা:
শ্বশুর বাড়ী বেড়াতে গিয়ে হঠাৎ ছেলেকে ফোন দিয়ে বাঁচার আকুতি জানালেও জীবিত ফেরা হয়নি জাকিরের ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মরদেহ।
শুক্রবার (৩০ আগষ্ট) সকালে আমতলী উপজেলার পুজাখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, আমতলী উপজেলার বৈঠাকাটা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল গনি আকনের ছেলে জাকির আকন পুজাখোলা গ্রামের আনোয়ার ব্যাপারীর কন্যা সোনিয়া বেগমকে চার বছর আগে বিয়ে করেন। সোনিয়া তার তৃতীয় স্ত্রী,সোমবার জাকির আকন শ্বশুর আনোয়ার ব্যপারীর বাড়ীতে বেড়াতে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে শ্বশুর বাড়ীর পাশে বীজ খেতে স্থানীয়রা তাকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে তার শ্বশুর আনোয়ার ব্যাপারী সহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মনিরুজ্জামান খাঁন তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেছেন।
খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ তার মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরন করেছে। এ ঘটনায় আমতলী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
মৃত্যু জাকির আকনের ছেলে রাকিব আকনের অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে আমার সৎ মা সোনিয়া বেগম ও তার বাবার বাড়ীর লোকজন হত্যা করে মাঠে ফেলে রেখেছে। আমার বাবা গতকাল রাতে ফোন দিয়ে বলে "আমাকে তুই এসে নিয়ে যা। আমাকে ওরা মেরে ফেলবে"। এরপর থেকে বাবার ফোন বন্ধ পাই। শুক্রবার সকলে জানতে পারি আমার বাবার মরদেহ হাসপাতালে। আমার বাবাকে আমার সৎ মা ও তার বাবার বাড়ীর লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে আমি হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
জাকিরের স্ত্রী সোনিয়া বেগমের দাবী দরে বলেন, আমার স্বামী জাকির আকন বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে বাড়ী যাওয়ার কথা বলে আমার বাবার বাড়ী থেকে চলে যায়। এরপর কি হয়েছে আমি জানিনা। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা জানান আমার স্বামী বীজ খেতে পড়ে আছে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেছেন।
আমতলী থানা ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, জাকির আকন নামের একজনের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনার থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।


মতামত
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনিই প্রথম মতামত দিন!
আপনার মতামত দিন