রায়হানা মুন :
ফিলিস্তিনকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে, বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর থেকে। কিছু মুসলিম দেশ ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, কিন্তু সৌদি আরব এখনও সে পথে হাঁটেনি। তবে সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মন্তব্য এবং কিছু ঘটনা সৌদি আরবের ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে।
গুঞ্জন শোনা গেলেও সৌদি আরব এখনো পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেনি। তবে অনেকে বলছেন, সৌদি আরব ইসরায়েলের কাছে নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছে।কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ ইসরায়েলকে বন্ধু বানায়। কিন্তু সৌদি সরকার হঠাৎ বলে বসে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে না রিয়াদ।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ ফিলিস্তিন নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের সঙ্গে বৈঠকে যুবরাজ জানান, দেশের ৭০% জনগণ তাঁর চেয়ে কম বয়সী এবং ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে বেশি কিছু জানেন না।
যুবরাজ বলেন, “এ সংঘাতের মাধ্যমে তারা প্রথমবার বিষয়টি জানতে পারছে।”
এদিকে, ৭ অক্টোবরের হামলার পর সৌদি আরবের অবস্থান বদলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্লিনকেন যুবরাজকে ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্বের বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করেন, এবং যুবরাজ তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহের অভাবের কথা জানান।
যদিও পরে সৌদি কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদনকে অস্বীকার করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে যুবরাজ বারবার বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে না।
সৌদি আরবের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ কী হবে, তা এখন দেখার বিষয়।


মতামত
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনিই প্রথম মতামত দিন!
আপনার মতামত দিন