মো:জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধায় সৎ ছোট ভাই বড় ভাইয়ের পুরুষ গোপন অঙ্গে লাথি মারায় বড় ভাই আব্দুল মমিন প্রধান (৬২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ।নিহত আব্দুল মমিন প্রধান গাইবান্ধা সদর উপজেলা সাহা পাড়া ইউনিয়নের নয়ন সুখ গ্রামে মৃত আলম উদ্দিন প্রধান এর ছেলে।এ বিষয়ে তার ছেলে ছায়েল প্রধান সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে নিহত আব্দুল মমিন প্রধান এর সাথে তার দুই সৎ ভাই আমিরুল ও আনোরুল এর সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ ছিল। মোট ৬ শতক নিয়ে ছিল তাদের দন্ড।এর আগে এই জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য দিয়ে মীমাংসাও হয়েছিল তবে এই দুই সৎ ভাই এই মীমাংসা না মেনে নিয়ে আবার শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর ) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আব্দুল মমিন প্রধান সাথে সেই জমির স্থানে তর্ক বিতর্ক শুরু করে।তার এই সৎ দুই ভাই।এর এক পর্যায়ে তাকে একা পেয়ে পেছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় স্ব-জোরে আঘাত করে আনোরুলের ছেলে আওলাদ মিয়া।এরপর তারা সৎ ভাই আমিরুল আব্দুল প্রধানের পুরুষ অঙ্গে বেশ কয়েকবার লাথি মারে । তারপর তার ছেলে ছায়েল প্রধান বাঁচাতে আসলে তাকেও মারধর শুরু করে। এছাড়া নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম সেখানে গেলে তার মুখমন্ডল আঘাত করলে তার চোখের পাশেও জখম হয়।
এরপর স্থানীয়রা জমায়েত হলে পরিবারের স্বজনরা দ্রুত তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায।সেখান থেকে রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে রংপুর মেডিকেরে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান তিনি। স্থানীয় ও স্বজনদের দাবি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হোক।
প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম বলেন, আমার সামনেই প্রথমে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে আনারুলের ছেলে হাওলাদ।পরে আমিরুল পুরুষাঙ্গে সজোরে লাথি মারে। এদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে স্থানীয় মিঠু মিয়া বলেন, যারা এভাবে সামান্য জমির জন্য একই বাপের সন্তানকে মেরে ফেলেছে আইনের মাধ্যমে তাদের শাস্তি চাই।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) মিজান। তিনি জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলার আবেদন করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
মতামত
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনিই প্রথম মতামত দিন!
আপনার মতামত দিন